জেনে নিন কোন ১৩টি কাজ নারীদের করা উচিত নয়

চলুন দেখে নেই, কী কী কারনে আজ আমাদের নৈতিক সমাজ নারীদের দ্বারা অবক্ষয় এর দিকে ধাবিত হচ্ছে

ইতোমধ্যে আপনারা সকলে নিশ্চয় জেনে গিয়েছেন যে সমাজের শোভন চেয়ারে বসে পাবলিকলি বিড়ি খাওয়া মেয়েদের শোভা পায় না। আজকাল মেয়েরা মানুষজনের সামনে বিড়ি খেলেই সবার মনে বেজে উঠে ‘তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি একি মোর অপরাধ?’

Courtesy: Pritom Biswas

যেহেতু মেয়েদের দুই পায়ের ফাঁকে একটি ডান্ডা লাগানো নেই, তাই বরং আসুন দেখি আরও কী কী কাজ মেয়েরা করে যা তাদের করা মোটেও উচিৎ নয় :

যেকোনো ধরনের খেলাধুলা

দেখুন, একটি বৈজ্ঞানিক সত্য বলি। পুরুষমানুষের গায়ে মহিলাদের চাইতে অনেক বেশি জোর থাকে। গায়ের জোর ছাড়া খেলাধুলা সম্ভব না। অতএব মহিলাদের খেলাধুলার বিষয়ে কোন প্রকার আগ্রহ থাকা একেবারেই অনুচিত। যদি কোন মেয়ে আপনাকে ভুলেও বলে যে সে ফুটবল দেখতে ভালবাসে, সঙ্গে সঙ্গেই তাকে জিয়ানলুইজি বুফন এর পরদাদার শাশুড়ির প্রতিবেশির নাম জিজ্ঞেস করুন। আপনি আপনার ছোট্ট বিচি দুইটি বাজি রাখতে পারেন যে সে এই অতি সহজ প্রশ্নের উত্তরটি জানবে না।

অনেক মেয়ে এই অকাট্য যুক্তির বিরুদ্ধে বলে থাকে যে মেয়েরা বুদ্ধির খেলা ঠিকই ছেলেদের চেয়ে ভালো পারে। এগুলো একেবারেই মিথ্যা কথা। দাবা খেলা জেতার জন্য যে বুদ্ধি দরকার, তা যদি কোন মেয়েমানুষের থেকেও থাকে, দাবার বোর্ড ভেঙ্গে ফেলার শক্তি তার নেই। একজন ছেলেমানুষ কখনো দাবা খেলায় হারে না, কারণ হারার সম্ভাবনা বুঝলেই সে বোর্ড আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলতে পারে।

ভালো ঘরের মেয়েরা শুধুমাত্র লুডু খেলে। তাস, মনপলি থেকে শুরু করে ফুটবল, ক্রিকেট, এবং সকল ধরনের খেলা যেগুলোতে balls এর প্রয়োজন হয়, ওগুলো শুধুমাত্র ছেলেদের জন্য।

ভিডিও গেমস

প্রতিটি ছেলের স্বপ্নের নারী একজন gamer girl. কিন্তু এটি আসলে একটি স্বপ্নদোষ কেননা, ভিডিও গেমস বাংলাদেশের ছেলেদের সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। মেয়েমানুষ কোন ডোটা, ফোটা, লোটা, কিছুই ঠিকমত খেলতে পারেনা, এগুলো ছেলে ভুলানোর একটি কৌশলমাত্র। যদি কখনো এ ধরনের কোন মেয়ের সাথে আপনার পরিচয় হয়, অবশ্যই তাকে বারবার মনে করিয়ে দিবেন যে মেয়েমানুষ হওয়া সত্ত্বেও যে সে গেমস খেলার অধিকার পাচ্ছে এটা তার চৌদ্দ পুরুষের ভাগ্য।

জীন্সের প্যান্ট পরা

বাংলাদেশের ছেলেদের ফ্যাশন খুবই উন্নত মানের। গুলিস্তানের সেরা কোয়ালিটির পোশাক ছাড়া সাধারণত তারা কিছুই পরেন না। মাঝে মাঝেই জীন্সের প্যান্ট নেমে গিয়ে তাদের দুই টাকা দামের জাঙ্গিয়া দেখা যায় এবং ব্লাউজের মত শার্টের কারনে তাদের স্তন বোঝা যায়। একজন ছেলে চাইলেই এ ধরনের কাপড় পরতে পারে। কিন্তু মেয়েদেরকে বানানোই হয়েছে এমন ভাবে যে তারা জীন্স পরলে আশপাশের সবার দাঁড়িয়ে যায়। জিন্সের প্যান্ট একটি পুরুষালি পোশাক। আধুনিক হতে গিয়ে মেয়েরা চায় ছেলেদের পোশাক পরতে, কিন্তু তারা বোঝে না যে এতে তারা নিজেরাই ছোট হচ্ছে। খেয়াল করে দেখবেন, এ ধরনের পোশাক ছেলেরা পরলে রেপ হয় না, এদিকে মেয়েরা শুধু এই বাজে পোশাকের কারনেই অহরহ রেপ হচ্ছে।

ছেলে বন্ধু থাকা

একটা ছেলের ছেলে বন্ধু থাকতেই পারে এবং একটা ছেলের ছেলে বন্ধু থাকলে সেটা খুবই নরমাল। কিন্তু তাই বলে ভালো ঘরের একটা মেয়ের ছেলে বন্ধু থাকবে তা কী মানা যায়? কারান জোহারের অসংখ্য সিনেমা থেকে আমরা শিখেছি যে একজন ছেলে এবং মেয়ের মধ্যে কখনই প্রেমহীন বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকতে পারে না। প্রেম করা সমাজের চোখে এক বিশাল অপরাধ। তাই ছেলে বন্ধু থাকা মানেই আসলে মেয়েটা সুযোগসন্ধানী ও ওয়ানাবি। তাই ভদ্র মেয়েদের উচিৎ শুধুই মেয়ে বন্ধু বানানো এবং মেয়ে বন্ধুদের সাথেই প্রেম করা।

পকেট ব্যবহার করা

পকেট জিনিসটার অস্তিত্ব আছে কারণ এর ভিতরে বিড়ি রাখা যায়। মেয়েদের বিড়ি খাওয়া নিষেধ, তাহলে তাদের কাপড়ে কেন পকেট থাকবে? এমনও তো না যে তাদের নিজের টাকাপয়সা থাকে যে পকেটে টাকা রাখবে। স্বামীর পকেটেই টাকা থাকবে এবং বিড়ি থাকবে, এটা নারীজাতির সৌভাগ্য। প্যান্ট পরা আগেই নিষিদ্ধ তাই অনেক মেয়ে এসবের প্রতিবাদে পকেটওয়ালা কামিজ ও ফতুয়া পরে থাকেন। তারা বাংলাদেশের আবহমান পোশাকগুলো তো নষ্ট করছেনই, তার সাথে পকেটে বিড়ি রেখে একদম দেশটাকে কলিকালের চূড়ান্তে ঠেলে দিচ্ছেন। এরকম কোন কাপড় পরা মেয়ে দেখলেই তার ছবি তুলে রাখবেন এবং অনলাইনে দিয়ে দিবেন। যুক্তি হিসাবে বলুন, তারা নিজেরা তো জামার ছবি তুলে ঠিকই ইন্সটাগ্রামে OOTD পোস্ট দেন। আপনি দিলে কেন দোষ হবে?

বাসা থেকে বের হওয়া

আপনারা জানেন, রাস্তাঘাটে দন্ডপ্রাপ্ত ছেলেরা থাকে যাদের দন্ড সবসময়ই উর্ধ্বমুখী। তাই মেয়েদের উচিৎ হবে বাসায়ই থাকা। বিশেষত সন্ধ্যার পরপর যেহেতু দন্ডপ্রাপ্ত ছেলেদের সাথে সাথে রাস্তাঘাটে জ্বীনভূতেরও আগমন ঘটে, তাই মেয়েদের উচিৎ হবে বাইরে বেরোলেও সন্ধ্যার আগেই ঘরে ফেরত আসা। নইলে ভূতেরা মেয়েদের ধরে নিয়ে যেতে পারে। তাছাড়া খোলা চুলের মেয়ে দেখলে জ্বীনেরা সেখানে বাসা বেধে জেনা করতে শুরু করে দিতে পারে।

তবে মেয়েরা বাইরে যাবার সময় পৌনে তিন বছর বয়সের ছোটো ভাইকে সাথে নিয়ে গেলে নিরাপত্তা নিয়ে আর ভাবনা থাকবে না।

ইংরেজি সিরিয়াল দেখা

মেয়েরা মায়ের জাত। আর মায়ের জাত সারাদিন কী দেখে বলুন তো? একেবারে ঠিক ধরেছেন, স্টার জলসা। অতএব, কোনো মেয়েরই উচিৎ হবে না স্টার জলসার বাইরে কোনো সিরিয়াল দেখা। বিশেষত কোরিয়ান সিরিয়াল ও গেম অফ থ্রোনস দেখা তো মেয়েদের জন্য একেবারেই নিষিদ্ধ। কেননা ওসব দেখে মেয়েরা ইনসেস্টে উৎসাহিত হতে পারে। মেয়েদের মনে এসব নোংরা চিন্তা থাকা ভালো নয়, কিন্ত ছেলেরা যতই আজেবাজে কথা ভাবুক, সেটা কোন চিন্তার বিষয় নয়। তাদের নুনু ছোট হলেও মনটা অনেক বড়।

বেড়াতে যাওয়া

বেড়াতে যাওয়া মানে হচ্ছে একটা নতুন জায়গায় ঢোকা। আর নতুন জায়গায় কারা ঢোকে? পুরুষমানুষ। তাই বেড়াতে গেলে, অর্থাৎ, একটা নতুন জায়গায় ঢুকলে সবাই মেয়েটাকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে দেখবে। যেমনটি আমরা মাঝে মাঝেই দেখি অনেক মেয়ে বালিতে বেড়াতে গিয়ে মিনি স্কার্ট থেকে শুরু করে বিকিনি পরেও ছবি দেয়। তো বলি কি, সাহস থাকলে এসব কাপড় পরে কক্সবাজার গিয়ে দেখান, এমন হেনস্থা হবেন যে বিকিনির নাম ভুলে যাবেন।

বেড়াতে গেলেও যেতে হবে বিয়ের পর বরের সাথে, লক্ষ্মী মেয়ের মত।

চাকরি করা

একবার ভাবুন যে, চাকরিক্ষেত্রে মেয়েমানুষের উপস্থিতি কতটা বিপদজনক হতে পারে। অফিস একটি কাজের জায়গা। তার মাঝখানে মেয়েরা হাজির হলে কোনই কাজ হবে না কারন সবাই তাদের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকবে এবং এতে জায়গাটার এনভায়রনমেন্ট নষ্ট হবে। আসলে বাসে আলাদা সীট দেয়ার পর থেকে মেয়েরা একদম মাথায় চড়ে বসেছে। যেন তাদের স্বামীর কামানো টাকাই যথেষ্ট নয় আবার নিজেরও কামাই করতে হবে। মেয়েমানুষের উচিৎ চাকরি-ফাকরি না করে পিছিয়ে থাকা পুরুষজাতিকে একটু এগোনোর সুযোগ করে দেয়া।

 

ঢেকুর, পাদ এবং হাঁচি

আমরা মাঝে মধ্যেই  ছেলেদের কে টেকআউট থেকে খেয়ে বের হওয়ার পর ঢেকুর তুলতে দেখি। কয়েকজন আবার ছোট্ট লিফটের ভিতর দাঁড়িয়ে পাদ ও মেরে দেন। ভাবুন, একজন মেয়ে যদি এভাবে ঢেকুর তুলে বা পাদ দেয়, আশেপাশের আন্টিরা কী মনে করবে? মেয়েদের প্রকাশ্যে পাদ দেয়া সমাজের সবচাইতে বড় সমস্যা, এবং পশ্চিমা ফাস্ট ফুড সংস্কৃতির কারনে এই জঘন্য কাজটির চল বেড়েই চলেছে। আর আজকাল শীতের সময় অনেক মেয়ে দেখি হাঁচিও দিয়ে থাকেন। হাঁচির আওয়াজে আশেপাশের সবাই ঘুরে তাকায়। এ ধরনের বেয়াদবি মেয়েদের কাছ থেকে কখনোই কাম্য নয়। ছেলেরা চাইলেই নুনু বের করে দেয়ালে মুতে দিতে পারে, এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু যেমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে আজকাল, কয়দিন পর মেয়েরাও মনে হয় পাদ এবং হাঁচির সাথে সাথে জনসমক্ষে প্রস্রাব করতে চাইবে।

পর্নোগ্রাফী ও হস্তমৈথুন

ভাবুন তো আপনার বাপ কিংবা ভাই পর্ন দেখতে দেখতে মনের সুখে খেঁচায় ব্যস্ত – কেমন লাগছে? খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার, তাইনা? কিন্তু আপনার বোন কিংবা মা যদি পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করে, সেটা কিন্তু একেবারেই মানাবে না। ভদ্র মেয়েরা এসব মোটেও করে না। কারণ চেয়ার-টেবিল-গাড়ি-বদনা-মেয়েমানুষ, এসবের যৌনতা বলতে কিছু নাই। তাছাড়া মেয়েরাও সমানতালে পর্ন দেখতে শুরু করলে সার্ভার ডাউন খেয়ে যাবে তখন লাঠিয়াল ভাইদের বাসেট্রেনে পর্ন দেখতে দেখতে লাঠিখেলায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

গাড়ি চালানো ও চড়া

গাড়ির পেছনের দুই চাকার মাঝে exhaust pipe থাকে, আর ব্যাটা মানুষের দুই পায়ের ফাঁকেও পাইপ থাকে। অতএব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে গাড়ি পুংলিঙ্গ। বিবাহবহির্ভূত কোনো পুংলিঙ্গ চালানো কিংবা কোনো পুংলিঙ্গে চড়া মোটেও উচিৎ হবে না মেয়েদের। চালাতে কিংবা চড়তে হলে মেয়েদের অবশ্যই গাড়িকে বিয়ে করে নিতে হবে। বিয়ে, বিবাহিত গাড়িকে চালানো কিংবা চড়া সবকিছুই করতে হবে নিজের ঘরের ভেতর।

আর মেয়েরা যদি বলে বসে যেহেতু চাবি লাগিয়ে গাড়ি চালু করতে হয় তাই গাড়ি স্ত্রীলিঙ্গবাচক, কাজেই মেয়েরা অবশ্যই গাড়ি চালাবে ও চড়বে – তখন এমা ওয়াটসনের একটা beach photograph দেখতে দেখতে তাদেরকে কাপড় খোলা নিয়ে একটি অকাট্য যুক্তি শুনিয়ে চুপ করিয়ে দিন।

মদ-গাঁজা খাওয়া

মেয়েরা মদ-গাঁজা খেলে কেরু ও গুলিস্তানের সম্মিলিত স্টকে টান পরে, নেশাপাতি-পিনিকের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় অনেক দন্ডবৎ ভাইয়েরা। তাই মেয়েদের উচিৎ হবে এসব থেকে দূরে থাকা। তাছাড়া গাঁজা ফুঁকতে হয় ও মদ গিলতে হয়, এসব blowing এবং swallowing থেকে মেয়েরা যত দূরে থাকবে ততই মঙ্গল।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত কিছু

একবার ভাবুন, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদ কী নারী না পুরুষ? ঠিক ধরেছেন, মার্ক জাকারবার্‌গ, এলন মাস্ক, বিল গেটস, সকলেই পুরুষ। তার মানে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সকল বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে পুরুষের একচেটিয়া অধিকার থাকা উচিত। সুতরাং, কখনো কোন মেয়েকে যদি দেখেন যে সে trend ফলো করার জন্য এসব বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, তাকে শ্রোডিঞ্জারের সমীকরণ এর প্রতিপাদন এবং ইন্টারনেট, টরেন্ট এর সংজ্ঞা সহ উদাহরণ জিজ্ঞেস করে আটকে দিন। আপনি নিজে পালি-সংস্কৃত পড়লেও কিছু আসে যায় না। মনে রাখবেন, পুরুষমানুষ মায়ের পেট থেকেই বিজ্ঞান ও ইভিটিজিং শিখে আসে।

গালি দেয়া

আপনার সামনে কি কখনো বাসের কন্ডাক্টররা “এই খানকি মাগির বাচ্চা তোর ভোদা চুদে পেলাস্টিক বাইর কইরা দিমু বাল” এই জাতীয় কোন কথা বলেছে? বা আপনি কি কখনো পশ্চিমা চলচ্চিত্রে “I will fucking kill you in front of your whore-ass mother you fucking bitch” এই জাতীয় ডায়লগ শুনেছেন? এখন চিন্তা করে দেখুন, এ ধরনের কথা একজন আলফা পুরুষ বাস কন্ডাক্টর, অথবা Seth Rogen এর মুখ দিয়ে বের না হয়ে আপনার ছোট বোন, যার কিনা হওয়ার কথা বাংলার আবহমান নারীর প্রতিমূর্তি, তার মুখ দিয়ে বের হচ্ছে! কি মনে হয়? নারীর মুখে দুইটি জিনিস একেবারেই মানায় না, এক হল বিড়ি, দ্বিতীয় হল গালি। নারীর মুখের ভিতরে শোভা পায় শুধুমাত্র আপনার ছোট্ট নুনুটি।

না বলা

সর্বোপরি, মেয়েমানুষ কখনোই কাওকে না বলতে পারবে না। এরা হল দাসীর জাত। একজন পুরুষকে না করার অধিকার তাদের নেই। সম্মতি সম্মতি করে অনেক মেয়েই চেঁচান। এমন একটা ভাব যেন সে নিজে নিজেকে মেরে ফেললে সেটা হয় আত্মহত্যা, আর অন্য কেউ করলে হয়ে যায় খুন!  

আপনারা যদি কখনো কোন নারীকে দেখেন উপরে উল্লেখিত একটি কাজও করতে, তাকে ভিডিও করে সেটি ফেসবুকে দিয়ে দিবেন। এতে আপনার দশ বছর জেল হয় হোক, তবুও শয়তান মহিলা মানুষদের একটা শিক্ষা দিয়ে তারপরেই নাহয় জেলের ভাত খেলেন।

Cover design by TehPenishmam

Comments

comments

Share this post on social media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *